Posts

Showing posts from June, 2024

HEKF-Field Inspection

Image
  Research Work With Queensland University Research Fellow Dr.Amy Macmohon.( Brisbane,Australia).

HEKF-Meeting As A Charterd President in Rotary Club

Image
  Presided over by Chartered President Of RC grand Khulna  in  Indian Hig.h-Comissioner.

বিশাল সমুদ্রের সন্ধান ভূপৃষ্ঠের নিচে

Image
  বিশাল সমুদ্রের সন্ধান ভূপৃষ্ঠের নিচে কিছু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও অর্জন বিশ্বকে বিমোহিত করেছে। বিশাল ব্ল্যাক হোল আবিষ্কার থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার ফিউশন চুল্লির সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ডের মতো বিস্ময়কর আবিষ্কার মানুষের মনকে অভিভূত করেছে। এবার আরেকটি বৈজ্ঞানিক খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে। খবরটি হলো—ভূপৃষ্ঠের অতি গভীরে বিশাল সমুদ্রের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ৭০০ কিলোমিটার নিচে ‘রিংউডাইট’ নামে পাথরে এই পানি জমে আছে। ভূগর্ভস্থ এই জলাধার ধরিত্রীপৃষ্ঠের সব মহাসাগরের মিলিত আয়তনের প্রায় তিনগুণ। ২০১৪ সালের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্রে এই সমুদ্রে সম্পর্কে বিশদভাবে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। ‘ডিহাইড্রেশন মেলটিং এট দ্য টপ অব দা লোয়ার ম্যান্টেল’ নামের শিরোনামের গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে রিংউডাইটের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণার প্রধান সদস্য ভূ-পদার্থবিদ স্টিভ জ্যাকবসেন বলেন, ‘রিংউডাইট একটি স্পঞ্জের মতো, যা পানি শুষে রাখে। রিংউডাইটের স্ফটিক কাঠামোর মধ্যে বিশেষ কিছু রয়েছে যা হাইড্রোজেনকে আকর্ষণ করতে এবং পানি আটকে রাখতে সাহায্য করে।’ তিনি আরো বলেন, ‘অবশেষ...

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন বিপদ ধানচাষে

Image
  জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন বিপদ ধানচাষে ১৮°C থেকে ৩৪°C-এর মধ্যে তাপমাত্রা ধানের ফলনের জন্য উত্তম। ধানের থোড় অবস্থায় ১৮°C এবং ধানের ফুল অবস্থায় ২০°C-এর নিচে তাপমাত্রা চলে গেলে থোড়ের ভিতর ভ্রূণের গর্ভপাত হতে পারে। ফলে ধানের থোড় থেকে ফুল বের হওয়ার পরপরই সাদা মরা অপরিপক্ব মঞ্জুরি দেখা যায়। ঠিক একই ভাবে ফুল ফোটার সময় যদি তাপমাত্রা ২০°C-এর নিচে নেমে যায় তা হলেও ধানের ফুল বা মঞ্জুরি সাদা হয়ে মরে যেতে পারে। ধানের থোড় বা ফুল অবস্থায় তাপমাত্রা যদি ৩৪°C-এর বেশি চলে যায় তা হলেও ধান চিটা হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ধানের থোড় ও ফুল অবস্থায় আঘাতজনিত ইনজুরির কারণেও ধান সাদা চিটা হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ কোল্ড ইনজুরি বা হিট ইনজুরির কারণেও ধানের থোড়ের মধ্যে ভ্রূণের গর্ভপাত হয়ে ছড়ার আংশিক সাদা হয়ে মরা বের হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ধান খেতে কোনো ওষুধ দিয়ে লাভ নেই । জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝড়ঝঞ্ঝা- শিলাবৃষ্টি, অসময়ে অতি শীত- অতি গরম ধানচাষে নতুন করে কৃষকদের নতুন-নতুন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ধানের জন্য অসহনীয় তাপমাত্রা হলো ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার...

সিলেটের আকাশে রোদ, কমছে বন্যার পানি

Image
টানা তিন দিন ভারী বৃষ্টির পর সিলেটে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রোদের দেখা মেলে। আজ শুক্রবার সকালেও সূর্য উঁকি দিয়েছে। বৃষ্টি থেমে যাওয়ায় সিলেটে বন্যা পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে। কোথাও কোথাও কয়েক ইঞ্চি পরিমাণ পানি নেমেছে। তবে এখনো সিলেটের প্রধান দুটি নদী সুরমা ও কুশিয়ারার ছয়টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত সিলেটের সুরমা নদীর কানাইঘাট ও সিলেট পয়েন্টে এবং কুশিয়ারা নদীর অমলশিদ, শেওলা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পাউবোর সূত্র অনুযায়ী, কানাইঘাট পয়েন্টে শূন্য দশমিক ৬৫ সেন্টিমিটার, সিলেট পয়েন্টে শূন্য দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার, অমলশিদ পয়েন্টে শূন্য দশমিক ৬১ সেন্টিমিটার, শেওলা পয়েন্টে শূন্য দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার, ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১ দশমিক ০২ সেন্টিমিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে শূন্য দশমিক ২৪ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এদিকে গতকাল জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নগরের ২৩টি ওয়ার্ডসহ জেলার ১৩টি উপজেলাই কমবেশি প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত গ্রামের সংখ্যা ১ হাজার ৬০২। ৩৬১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২১ ...

HEKF-

Image
Meeting With Honorable David Sir-PARIBARTON KHULNA

HEKF-Habitable Earth Kollayan Foundation

Image
 " We Beleive in Change,We Work For Future"

HEKF POST-EID Ul ADHA Greetings To All!

Image
On behalf of HEKF Greetings to All Well Wishers,All Kind of Religious People's.  

প্রতীক্ষার চাতক ডাকছে না, বেড়েছে বৃষ্টির অপেক্ষা

Image
  মৌসুমি পাখি দেখা গেছে, হয়তো বৃষ্টি আসছে’। দক্ষিণ ভারতীয় ইংরেজি গণমাধ্যম ডেকান ক্রনিকলের গত মে মাসের শেষ দিনের এক প্রতিবেদনের শিরোনাম এটি। এখানে লেখা আছে, এরপরই কৃষক মাটিতে বীজ বুনতে জমি চাষের প্রস্তুতি নেবেন। অর্থাৎ একটি পাখির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে আবহাওয়া ও ফসলের মাঠের। প্রতিবেদনের ‘মনসুন বার্ড’ বলে পরিচয় করিয়ে দেওয়া পাখিটি বাংলার ‘চাতক’। সংস্কৃততেও এ পাখিকে চাতক নামেই ডাকা হয়। তেলেঙ্গানা রাজ্যের জহিরাবাদ এলাকায় এ বছর প্রথমবারের মতো চাতক পাখিকে দেখে লেখা হয়েছে ‘মুনসুন বার্ড স্পটেড, রেইনস অন দেয়ার ওয়ে’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি। পাখি দর্শনের সঙ্গে মেঘ-বৃষ্টির সম্পর্কের কথা বাংলার লালন ফকিরের সুরে সুরে এসেছে আরও কত আগে। তিনি তাই লম্বা লেজওয়ালা কালোরঙা অতি চঞ্চল এ পাখি নিয়ে প্রশ্ন রাখলেন, ‘অমৃত মেঘের বারি মুখের কথায় কি মেলে?/ চাতক স্বভাব না হলে।’ গ্রীষ্মকালে পরিযায়ী হিসেবে জ্যাকোবিন কুক্কো আর চেস্টনাট উইন্ড কুক্কো নামে কোকিল গোত্রের যে দুটি প্রজাতির পাখি বাংলাদেশে আসে, তাদেরই ডাকা হয় চাতক বলে। ওরা সাধারণত মার্চ থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে আসতে শুরু করে। আবার জুন থেকে জুলাইয়ের মধ্যে চলে যায়। ...

সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

Image
  সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বায়ুদূষণের কারণে মানুষ শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে। কারণ আমরা বিভিন্নভাবে শব্দদূষণ বা বায়ুদূষণ করছি যার প্রভাব ফেলছে অন্যজনের স্বাস্থ্যে। তিনি বলেন, বর্তমানে সরকার বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা যাওযার পরিকল্পনাও করছে। পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বায়ু ও পরিবেশ দূষণ মোকাবিলায় আইনের যথাযথ প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। সোমবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘সেভ ইয়োর ব্রিদ: পলিসি ডায়ালগ অন ক্লিন এয়ার ইমপারেটিভস’ শীর্ষক এক সেমিনারে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বায়ুদূষণ কোনও একটি দেশের সমস্যা নয়— এটি একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমস্যা। তাই এ সমস্যা মোকাবিলায় ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে দক্ষিণ এশীয় পর্যায়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সমন্বয় প্রয়োজন। কারণ এক দেশের বায়ুদূষণের প্রভাব পড়ছে অন্য দেশের ওপর। এছাড়া, বায়ুদূষণ রোধে প্রযুক্...

গ্রীষ্মেও পাখির মেলা বসে কাপ্তাই হ্রদে

Image
  গ্রীষ্মেও পাখির মেলা বসে কাপ্তাই হ্রদে হ্রদের পানির ওপর জেগে থাকা গাছের ডাল বা বাঁশের খুঁটির ওপর কয়েকটি পানকৌড়ি যেন ধ্যান করছে। পাশের অগভীর পানিতে বক আর শামুকখোলের মেলা। অদূরে জেগে ওঠা চরে বেশ কিছু গাঙচিল ভীষণ ব্যস্ত হয়ে ক্ষণে ক্ষণে ওড়াল দিচ্ছে। শান্ত নীল জলের হ্রদের এই এলাকায় এলেই শোনা যায় পাখির বিচিত্র ডাক। রাঙামাটি শহরের চেঙ্গীমুখ এলাকায় কাপ্তাই হ্রদে গেলে এমন দৃশ্যের দেখা মিলবে। হ্রদের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় অগভীর পানিতে দেখা মিলছে শামুক, ঝিনুক, ছোট মাছ ও জলজ প্রাণীর। আর এসব খাবারের সন্ধানেই দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছে পাখিরা। কাপ্তাই হ্রদের জেগে ওঠা ছোট ছোট চরে এখন এসব পাখির মেলা বসেছে। সম্প্রতি হ্রদের চেঙ্গীমুখ ও কাট্টলী বিলে গিয়ে নানা প্রজাতির দেশি জলজ পাখির দেখা মিলেছে। এর মধ্যে হ্রদের ছোট ছোট জনবিরল দ্বীপ ও চরে গাঙচিল, হট্টিটিসহ বেশ কিছু পাখি বাসা বেঁধে ডিম পাড়ে। প্রজনন মৌসুম হওয়ায় এখন এসব পাখি আসছে হ্রদের ঝোপঝাড়ে ডিম পাড়তে। এ ছাড়া হ্রদের বিশাল এলাকাজুড়ে বিচরণ করতে দেখা গেল বক, শামুকখোল, পানকৌড়ি, ছোট ডুবুরি, বড় ডুবুরি, বেগুনি বক, লালঠেঙ্গি ও চ্যাগা পাখিদের। গ্রীষ্মের এই সময়টায়...

HEKF NEWS-Field work By Founder Aso Executive Director of HEKF@ Dr.N Jahan Nill( Environmental Scientist)

Image
 

HEKF NEWS-Women get a Wonderful Gift for her outstanding Contribution in Environmental Protection Work

Image
 

HEKF NEWS-Hygiene and Sanitation Program in Slum Areas.@ Environmental Specialist Dr. N Jahan Nill

Image
 

পরিবেশ বান্ধব মালচিং পেপার ব্যবহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফসল চাষ

Image
  পরিবেশ বান্ধব মালচিং পেপার ব্যবহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফসল চাষ খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে অতি বৃষ্টিতেও মাটির গুণাগুণ নষ্ট না হওয়া এবং উৎপাদন খরচও কম হওয়ায় পরিবেশ বান্ধব মালচিং পেপার ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের ফসল চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ‘মালচিং পেপার ব্যবহার করুন, অধিক ফসল ঘরে তুলু’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে স্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘জাকস ফাউন্ডেশন’ কৃষকদের কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করছেন। মালচিং পদ্ধতিতে বেড তৈরি এবং রাসায়নিক ও জৈব সার একসঙ্গে প্রয়োগ করে বীজ রোপণের জায়গা টুকু ফাঁকা রেখে আবাদকৃত জমি পলিথিনের মালচিং সেড দিয়ে ঢেকে দিতে হয়। এতে অতি বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয়না। তা ছাড়া এ পদ্ধতিতে ফসল চাষ করলে উৎপাদন খরচও কম হয়। ফলে জয়পুরহাট জেলায় পরিবেশ বান্ধব মালচিং পেপার ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের ফসল চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য শসা ও তরমুজ চাষে বর্তমানে পুরোপুরি মালচিং পেপার ব্যবহার করছেন কৃষকরা। জয়পুরহাট সদর উপজেলার গোপালপুর, ফরিদপুগোপালপুর, ফরিদপুর, তেকানা ও কোচকুড়ি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, মাঠে কৃষকরা মালচিং পেপার ব্য...

দূষণে নাকাল গাজীপুরের ৫০ পরিবার

Image
  দূষণে নাকাল গাজীপুরের ৫০ পরিবার গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি পোশাক কারখানার পরিবেশগত দূষণের শিকার হচ্ছেন অর্ধশত পরিবারের সদস্যরা। গত আট বছর ধরে পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে এ ব্যাপারে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না পরিবারগুলো। প্রতিনিয়ত দূষণের শিকার হচ্ছে পরিবারগুলোর শিশু, অন্তঃসত্ত্বা নারী, বয়স্ক নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ বাসিন্দারা। দূষণের কারণে অনেকের বাসাবাড়ির দরজা-জানালা দিন-রাত বন্ধ রাখতে হয়। এ ছাড়া জেনারেটরের বিকট শব্দেও অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে এলাকার বাসিন্দারা। ভুক্তভোগীদের একজন ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোগরখাল এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন সরকার। তার বাসার পাশের কারখানাটির দূষণ থেকে রক্ষা পেতে ২০১৬ সাল থেকে শুরু করে এ বছরের ২৩ মে পর্যন্ত কয়েক দফায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও গাজীপুর জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন। তার ওইসব আবেদনপত্রে উল্লিখিত তথ্য এবং এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোগরখাল এলাকার ফার্দার গার্মেন্টসের পূর্বপাশে বহু বছর আগে থেকে জনবসতি রয়েছে। বাসাবাড়ির দেয়াল ঘেঁষে গড়ে তোলা হয়েছে ওই গার্মেন্ট...

গত ২৮ বছরে ঢাকায় সবুজ কমেছে ৯ শতাংশ: বিআইপি

Image
  গত ২৮ বছরে ঢাকায় সবুজ কমেছে ৯ শতাংশ: বিআইপি রাজধানী ঢাকায় কংক্রিটের জঞ্জাল বাড়ছে, সমান তালে কমছে সবুজের পরিমাণ। এতে নগরীতে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে তাপমাত্রা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েক দশক আগেও নগর–পরিকল্পনার মানদণ্ড অনুযায়ী ঢাকা শহরে পর্যাপ্ত সবুজ এলাকা ও জলাশয় ছিল। কিন্তু সরকারি–বেসরকারি সংস্থাগুলোর স্থাপনা নির্মাণের কারণে উজাড় হয়েছে সবুজ এলাকা। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) গবেষণা অনুসারে, ২৮ বছরে ঢাকায় সবুজ এলাকা কমে হয়েছে ৯ শতাংশ। অন্যদিকে দুই দশকে কংক্রিটের আচ্ছাদন বেড়ে হয়েছে ৮২ শতাংশ। বুধবার রাজধানীর বাংলামোটরে প্ল্যানার্স টাওয়ারের বিআইপি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ঢাকায় তাপদাহ: নগর–পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার দায় ও করণীয়’ শীর্ষক সংলাপে এসব তথ্য উঠে আসে। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইপির সভাপতি পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান। উপস্থাপিত প্রতিবেদনে তিনি বলেন, ঢাকা শহরে সবুজ যেমন কমেছে, ঠিক তেমনি গত দুই দশকে বেড়েছে মাত্রাতিরিক্ত ধূসর এলাকা ও কংক্রিটের পরিমাণ। যা নগর এলাকায় তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে মারাত্মক হারে, বাড়ছে আরবান হিট আইল্যান্ডের প্রভাব। গত ২৮ বছর...

HEKF-Youth Leadership

Image
  Working with Youth.

HEKF- Meeting With High Officials

Image
 Meeting for " Road Safety" With Police Super.

HEKF- Work for the Marginalized Community

Image
 Working With Orphan Child

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চাষাবাদের ধরন বদলেছেন ১৭% কৃষক

Image
  জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চাষাবাদের ধরন বদলেছেন ১৭% কৃষক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চর, হাওর, পাহাড় ও উপকূলীয় এলাকায় চাষাবাদের ধরন বদলেছেন ১৭ শতাংশ কৃষক। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) নামে এক সংগঠনের জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার সকালে এক ভার্চুয়াল সভায় জরিপের ফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। জরিপে ৩৫৩ জন পুরুষ, ৬৫৭ জন নারী ও ১২ জন তৃতীয় লিঙ্গ অংশ নেন। কৃষির সঙ্গে জড়িত ১৭ দশমিক ১ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানান, কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের নানা প্রভাব পড়েছে। প্রভাব মোকাবিলায় তারা চাষাবাদের ধরন বদলে ফেলেছেন। যেমন- উচ্চ ফলনশীল জাতের চারা ও বীজ ব্যবহার করছেন, ফসল কাটার সময় বদলে ফেলছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বীজ সংরক্ষণ করছেন, জমিতে দিচ্ছেন কেঁচো ও জৈব সার। সভায় জানানো হয়, সুইডেন দূতাবাসের সহায়তায় এমজেএফ ৪ বছরব্যাপী (সেপ্টেম্বর, ২০২২ –আগস্ট, ২০২৬) ‘কমিউনিটিভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি (ক্রিয়া)’ নামক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটির আওতায় জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ১৪ জেলার ২৮ উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদা‍য়গুলোর বর্তমান আর্থসামাজি...

পরিবেশ ও জলবায়ু উন্নয়নে আমাদের করণীয়

Image
  পরিবেশ ও জলবায়ু উন্নয়নে আমাদের করণীয় বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রের জাতির পিতা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ হলো বঙ্গবন্ধুর দেশ। আর পৃথিবীর মানুষেরা পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে চিন্তা করার পূর্বেই তিনি এদেশের পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে চিন্তা করেছেন। তাইতো তিনি জেলখানায় বসে তার লেখা “অসমাপত আত্বজীবনী” তে তিনি পরিবেশ ও গাছপালাকে ভালবাসার কথা জানিয়েছেন। স্বাধীনতার পর তিনি এদেশের ক্ষমতা গ্রহনের পর পর তি নিজ হাতে বঙ্গভবনে গাছ লাগিয়েছেন এবং বাড়ীর আঙ্গিনায় দেশের সকল মানুষকে গাছ লাগানোর অনুরোধ করেছেন। তিনিই ঘূর্ণিঝড় ও জ্বলোচ্ছ্বাস হতে উপকূলবাসীকে রক্ষার জন্য বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে গাছ লাগানোর মাধ্যমে “উপকূলীয় সবুজ বেষ্টণী” তৈয়ার করার নির্শ প্রদান করেন, যার সুফল বর্তমানে আমরা পাচ্ছি। সভ্যতারঅগ্রগতির সঙ্গেসঙ্গে আমাদের চারপাশের পরিবেশ পরিবর্তন হচ্ছে। মানুষ তার প্রয়োজনে পরিবেশকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করছে। যার ফলে পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের দূষণ দেখা দিচ্ছে। যা মানুষসহ পরিবেশের নানা ধরনের ক্ষতি সাধন করে। আর এ ধরনের দূষণ থেকে আমাদের দেশকে মুক্ত করে কিভাবে উন্নয়ন করা যায় স...

ঘূর্ণিঝড় রিমালে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ল বাংলাদেশ?

Image
  সুন্দরবনে স্বাভাবিক সময়ে ২৪ ঘণ্টায় দুই বার জোয়ার এবং দুই বার ভাঁটা হয়। সেই হিসেবে ঘূর্ণিঝড় রিমাল আঘাত হানার পর গত ৪৮ ঘণ্টায় সুন্দরবন চারবার জোয়ারের পানিতে প্লাবিত ও চারবার ভাঁটায় পানি নেমে যাওয়ার কথা। কিন্তু এবার সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য প্রথম এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে - কারণ রিমাল আঘাত হানার পর এবার টানা ৪৮ ঘণ্টা পানিতে তলিয়ে ছিল পুরো বনাঞ্চল। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা এখনই অবশ্য এত সহজ নয়। কারণ জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও গাছপালার যে ক্ষতি হয় তা নিরূপণ করা সময়সাপেক্ষ। তবে এই মুহূর্তে অবকাঠামোগত যেসব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে নিরূপণ করা হয়েছে। বাঘ, হরিণ থেকে শুরু করে মৌমাছিও মিষ্টি পানি পছন্দ করে। সুন্দরবনে এখন মধুর সিজন চলছে। মিষ্টি পানি ছাড়া মধু আহরণ করতে পারে না মৌমাছি। মি. হোসেন বলেন, “ফলে প্রত্যেকটি বন্য প্রাণীই আগামী কিছুদিন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সামনে বর্ষার মৌসুম আসছে। এখন জরুরি ভিত্তিতে পুকুরগুলি ডিওয়াটারিং করে সেখানে বর্ষার মিষ্টি পানি ধরতে হবে। মিষ্টি পানি না ধরা পর্যন্ত বন্যপ্রাণীর উপর বিরূপ প্...