Posts

Showing posts from July, 2024

যে ১৫টি ‘জলবায়ু ঝুঁকি’তে আছে বাংলাদেশ

Image
আজ থেকে এক যুগ আগেও মনে করা হতো, বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল। অর্থাৎ, তীব্র গরমের উষ্ণতম দিনের সংখ্যা এপ্রিল মাসেই বেশি থাকে। কিন্তু আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশে বছরের উষ্ণতম দিনের সংখ্যা এখন শুধু এপ্রিল মাস তথা গ্রীষ্মকালে সীমাবদ্ধ নেই; বর্ষাকালেও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের মতে, গ্রীষ্মকালের দৈর্ঘ্য বেড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে বর্ষাকালেও তাপপ্রবাহ চলা, এই সবকিছু ঘটছে মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি জলবায়ু ঝুঁকিতে আছে, তার মাঝে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষ দশে। এর আগে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ১৪টি জলবায়ু ঝুঁকি চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদে সমন্বিতভাবে ‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা’ (ন্যাপ) গ্রহণ করেছিলো সরকার। ন্যাপে বলা হয়েছে, ঐ ১৪টি জলবায়ু ঝুঁকি বা দুর্যোগের হার সময়ের সাথে সাথে বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝুঁকিগুলোর তীব্রতা বাড়ছে বলেই আবহাওয়ার প্যাটার্ন তথা ধরনের পরিবর্তন এসেছে।  

HEKF- With Mongla UNO

Image
 HEKF Team With Mongla Upazilla Nirbahi Officer(UNO)

HEKF- ADAB training At Jhenaidah

Image
 ADAB Training for Proposal Writing.

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সাতক্ষীরায় মারা যাচ্ছে রেইনট্রি

Image
  জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সাতক্ষীরায় মারা যাচ্ছে রেইনট্রি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি কমে গেছে। কয়েক বছরে মাটিতে বেড়েছে লবণাক্ততা। এ কারণে সাতক্ষীরার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে প্রায় দেড় হাজার রেইনট্রি মারা গেছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা। রাস্তার দুই পাশে থাকা সারি সারি এ গাছগুলো এখন বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। ডাল ভেঙে আহত হচ্ছেন পথচারীরা। প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে সড়কে চলাচলকারী যানবাহন। সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কে দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে ডাল ভেঙে হতাহতের শঙ্কায় এ পথে শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতেও ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রধান ড. নাসরিন আক্তার বলেন, রেইনট্রি গাছ মরে যাওয়ার অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মাটির লবণাক্ততা ও ক্ষার বেড়ে যাওয়া। তাছাড়া প্রত্যেক গাছের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাত কমে গেছে। মৌসুমি বৃষ্টি না হলে রেইনট্রি গাছ খাদ্য সংকটে পড়ে। এছাড়া বিভিন্ন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও গাছ মরে যেতে পারে। বছরখানেক আগে সাতক্ষীরার সড়ক থেকে মারা যাওয়া রেইনট্রি গাছগুলো অপসারণের উদ্যোগ নেয়...

জীববৈচিত্র রক্ষায় নানামুখী প্রকল্পের কাজ শুরু, সুন্দরবন ফিরবে তার আগের চেহারায়

Image
  জীববৈচিত্র রক্ষায় নানামুখী প্রকল্পের কাজ শুরু, সুন্দরবন ফিরবে তার আগের চেহারায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন পুনরুদ্ধারের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। অপরদিকে,সমুদ্রের ভাঙনে প্রতিবছর সুন্দরবনের বনভূমি কমে যাচ্ছে। ফরাসি সরকারের অর্থায়নে নতুন ম্যানগ্রোভ বনসৃজন ও জীববৈচিত্র রক্ষায় নানামুখী প্রকল্পের কাজ এ বছর শুরু হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। সুন্দরবন বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সুন্দরবন অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কমেছে বনভূমি এবং মারা গেছে অনেক গাছপালা। সুন্দরবনকে শত বছর আগের চেহারায় ফেরাতে ফ্রান্স সরকারের অর্থায়নে পূর্ব ও পশ্চিম সুন্দরবনের ২০ কিলোমিটার এলাকায় নতুন ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টির প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের গাবুরায় কিছু এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট স্কিম) বন সৃজন করা হবে। ফরাসি সরকারের ৩০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে সুন্দরবন অঞ্চল সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ প্রকল্প ( সিআরআইএসপি) তিন বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের কাজ এ বছরই শুরু হবে বলে বন বিভাগ জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা(আইইউসিএন) ও সুন্দরব...

পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ বিতরণ

Image
  পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ বিতরণ ২০২৪ সালের ৮ই মার্চ দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহবুব আলমের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ গ্রিন অরবিট অ্যাসোসিয়েশন। পরিবেশবিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনের সদস্যরা সবাই একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল, অর্থাৎ রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার শিক্ষার্থী। পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে বছরব্যাপী তাঁদের থাকে নানা উদ্যোগ। এখন পর্যন্ত বদরগঞ্জের দুটি ইউনিয়নের ৩৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গাছ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ গ্রিন অরবিট অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির সভাপতি তাজনুর আফরোজ বলেন, ‘আমরা প্রথমে একটা ইউনিয়ন নির্বাচন করি। সেই ইউনিয়নের মধ্যে যত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে; হোক সেটা স্কুল, কলেজ বা মাদ্রাসা, সব কটিতে গাছ পৌঁছে দিই। এখন পর্যন্ত গোপীনাথপুর ও রাধানগর ইউনিয়নে আমাদের কাজ শেষ হয়েছে। দুটি ইউনিয়নের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গাছ পৌঁছে দিতে পেরেছি।’ জুন-জুলাই মাসে গাছগুলো বিতরণ করেন শিক্ষার্থীরা। একেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০টি করে গাছ দেওয়া হয়। শুধু বিতরণ করেই দায়িত্ব শেষ হয় না। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা ...

HEKF-Visiting Soronkhola BWDB Office

Image
 Inspecting The Current Situation of Soronkhola and Dam and Embankment.

HEKF-Working with street children's

Image
 HEKF Founder With Working Children's

HEKF-Satkhira Flooded During Rain

Image
 Flood Situation Getting Wrost.

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

Image
  জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশদূষণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দুর্নীতি ও নৈতিক অবক্ষয় বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের জন্য জরুরি বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও খরার প্রকোপ এ দেশের জনজীবনকে ক্রমে কঠিন করে তুলছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ও ঘনত্ব বেশি। প্রতি বর্গকিলোমিটারে সহস্রাধিক মানুষের বাসই তো পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। মানুষের নানাবিধ অবিমৃষ্যকারিতায় পরিবেশদূষণ বাড়ছে, যা দেশের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ভারসাম্য নষ্ট করছে। বায়ু, পানি ও মাটিদূষণ বাংলাদেশের বড় সমস্যা। যানবাহন, কলকারখানা ও ইটভাটার ধোঁয়া বায়ুদূষণের বিশেষ কারণ। শিল্পবর্জ্য, কৃষিবর্জ্য ও নগরবর্জ্য পানিদূষণের উৎস। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারে মাটি দূষিত হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। তা ছাড়া বিশ্বের কথা বললে, সামরিক দূষণ ও যুদ্ধের প্রভাব পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক। সামরিক কার্যকলাপের ফলে ভূগর্ভস্থ পানি, মাটি ও বায়ু দূষিত হচ্ছে। এ ধরনের দূষণ প্রতিরোধে আন্তর্...

প্লাস্টিকের সমস্যা সমাধানে এনজাইমের প্রয়োগ

Image
  প্লাস্টিকের সমস্যা সমাধানে এনজাইমের প্রয়োগ প্লাস্টিক বর্জ্যের সমস্যা বিশ্বের প্রায় সব প্রান্তেই প্রকট হয়ে উঠছে। প্লাস্টিকের বিকল্প ও পুনর্ব্যবহারের কিছু বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের তেমন সুফল দেখা যাচ্ছে না। জার্মান বিজ্ঞানীরা এবার নতুন উপায়ে প্লাস্টিক ধ্বংসের উদ্যোগ নিচ্ছেন। তবে সে জন্য ৬০–৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রা প্রয়োজন। প্লাস্টিক সমস্যার সমাধান করতে লাইপসিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট ক্রিস্টিয়ান সনেনডেকারের টিম জৈব প্রযুক্তি কাজে লাগাতে চায়। সেই প্রচেষ্টার ব্যাখ্যা দিয়ে সনেনডেকার বলেন, ‘প্রকৃতির কাজ পর্যবেক্ষণ করে আমরা সেটা নকল করার চেষ্টা করছি। পলিমার ভেঙে দিতে প্রকৃতি এনজাইম ব্যবহার করে। আমরাও এখন ঠিক সেটাই করছি।’ লাইপসিশ শহরের দক্ষিণের কবরস্থানে ক্রিস্টিয়ান ও তাঁর এক সহকর্মী সেই এনজাইম খুঁজে পেয়েছেন। কম্পোস্টের মধ্যে সেটা পাওয়া গেছে। সেই এনজাইম আসলে গাছ থেকে পড়ে যাওয়া পাতার পচন ঘটায়। সনেনডেকার বলেন, ‘এমন এক পাতার ওপরে মোমের স্তর রয়েছে, যাকে কাটিন লেয়ার বলা হয়। সেটা একধরনের পলিয়েস্টর। এটা একটা পলিমার, যার কাঠামো ঠিক পিইটি প্লাস্টিকের মতো এস্টার বন্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। অনেক জৈব...
Image
  পরিবেশ রক্ষায় যুবসমাজের ভূমিকা বাংলাদেশ বিশ্বের ঘনবসতিপূর্ণ জনবহুল দেশসমূহের মধ্যে অন্যতম। এই বিশাল জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যুবসমাজ। জাতীয় যুবনীতি ২০১৭ অনুযায়ী ১৮-৩৫ বছর বয়সের বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক যুব বলে গণ্য হবে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ যুব। আনুমানিক এদের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ কোটি। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড। অর্থাৎ বয়স্ক জনগোষ্ঠীর চেয়ে কম বয়সীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অধিক। যুব নারী-পুরুষের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের সাথে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুফল অর্জন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করে পরিবেশ-বান্ধব একটি প্রজন্ম তৈরির মাধ্যমে পরিবেশ-প্রতিবেশ-জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা এবং দীর্ঘস্থায়ী টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। যুব সমাজের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং প্রধান পরিবেশগত সমস্যাগুলি চিহ্নিতকরণ ও নিরসনে করণীয় এবং টেকসই উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ সম্পর্কে তাদের সচেতন করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন তরান্বিত করা সম্ভব। তারুণ্য হচ্ছে জীবনের বসন্ত। এটা আবিষ্কার এবং বড় স্বপ্ন দেখার বয়স। প্রগতিশীল ...