পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার লক্ষ্যে দেশে দেশে ঘুরছেন গ্রেগরি





পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার লক্ষ্যে দেশে দেশে ঘুরছেন গ্রেগরি

সোলার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে বাইসাইকেল চালিয়ে ৩২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছেন বেলজিয়ামের নাগরিক গ্রেগরি লিইউলি। ৪৮ বছরের বেলজিয়ামের নাগরিক গ্রেগরি লিইউলি।

পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার লক্ষ্যে বাঁশের তৈরি একটি বাইক নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত। বাইকটিতে রয়েছে সোলার সিস্টেম, যা বাইকটিকে মোটরবাইকে রূপান্তরিত করেছে।

ব্রাসেলস ইউনিভার্সিটি থেকে টেলিভিশন সাংবাদিকতায় মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে বেলজিয়ামের একটি স্কুলে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষকতা করছেন তিনি।

বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষায় সোলার প্যানেল ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহী করতে ২৭ দেশে ৩২ হাজার কিলোমিটার বাইক চালিয়ে তিনি বর্তমানে মৌলভীবাজারে অবস্থান করছেন। ৩/৪ দিন মৌলভীবাজারে থেকে আগামী ৫ মে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাবেন ভুটান। তবে সেখানে যাওয়ার আগে তার বিশেষ বাইকটি জাহাজে করে বেলজিয়ামে পাঠিয়ে দেবেন তিনি।

গত ১ মে বিকেলে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ এলাকায় গ্রেগরির সঙ্গে আলাপ হয় দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড প্রতিনিধির। সেখানে তিনি তার ভ্রমণ সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য দেন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়ছে পৃথিবী। মানুষসহ প্রতিটি প্রাণ বাঁচাতে পরিবেশ রক্ষা করা প্রয়োজন। পরিবেশের জন্য বড় একটি হুমকি বিদ্যুৎ।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সরাসরি পরিবেশের উপর আঘাত করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তবে সভ্যতার প্রয়োজনে বিদ্যুৎ দরকার। আর এর সমাধান হচ্ছে সোলার প্যানেল।



তিনি আরও বলেন, সোলার প্যানেল বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হলে বিদ্যুতের কারণে পরিবেশের যে দূষণ হয় তা কমে আসবে। বিশ্বব্যাপী সচেতনতার লক্ষ্যে তৃতীয় ধাপে ২০২২ সালের ৩ জুন বেলজিয়াম থেকে শুরু করে ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, হল্যান্ড, রাশিয়া, কাজাখস্তান, চীন, লাওস, ভারত এবং সর্বশেষ বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশ বাইকে করে ভ্রমণ করেছেন। বাঁশের তৈরি বাইক নিয়ে ২৭টি দেশ ঘুরতে ৩২ হাজার কিলোমিটার পথ তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে।

তার বাহনটি মূলত বাইসাইকেল হলেও এর সঙ্গে সোলার প্যানেল রয়েছে। যা মটর সাইকেলের মতো কাজ করে। তবে চার্জ শেষ হয়ে গেলে বা ব্যাটারির সংযোগ আলাদা করে বাইসাইকেলের মতো চালানো যায়।

বিশেষ এই বাইক তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন বাঁশ। প্রযুক্তিটি সম্পূর্ণ তার নিজের। বেলজিয়ামে বাঁশ না থাকায় উগান্ডা থেকে বাঁশ আনিয়েছেন। ৪.২০ মিটার লম্বা এই বাইকের পেছনের দিক অনেকটা ঠেলা গাড়ির মতো।

যার প্রস্ত এক মিটার। মূলত: পেছনের এই অংশে রয়েছে দুইটি সোলার প্যানেল, যা থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় আর এর সাহায্যেই চলে বাইকটি।

তিনি আরও বলেন, সোলার প্যানেল বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হলে বিদ্যুতের কারণে পরিবেশের যে দূষণ হয় তা কমে আসবে। বিশ্বব্যাপী সচেতনতার লক্ষ্যে তৃতীয় ধাপে ২০২২ সালের ৩ জুন বেলজিয়াম থেকে শুরু করে ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, হল্যান্ড, রাশিয়া, কাজাখস্তান, চীন, লাওস, ভারত এবং সর্বশেষ বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশ বাইকে করে ভ্রমণ করেছেন। বাঁশের তৈরি বাইক নিয়ে ২৭টি দেশ ঘুরতে ৩২ হাজার কিলোমিটার পথ তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে।

তার বাহনটি মূলত বাইসাইকেল হলেও এর সঙ্গে সোলার প্যানেল রয়েছে। যা মটর সাইকেলের মতো কাজ করে। তবে চার্জ শেষ হয়ে গেলে বা ব্যাটারির সংযোগ আলাদা করে বাইসাইকেলের মতো চালানো যায়।

বিশেষ এই বাইক তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন বাঁশ। প্রযুক্তিটি সম্পূর্ণ তার নিজের। বেলজিয়ামে বাঁশ না থাকায় উগান্ডা থেকে বাঁশ আনিয়েছেন। ৪.২০ মিটার লম্বা এই বাইকের পেছনের দিক অনেকটা ঠেলা গাড়ির মতো।

যার প্রস্ত এক মিটার। মূলত: পেছনের এই অংশে রয়েছে দুইটি সোলার প্যানেল, যা থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় আর এর সাহায্যেই চলে বাইকটি।

এবারের রাইডটি তৃতীয় ধাপের জানিয়ে তিনি বলেন, সোলারের প্রতি সচেতনতা বাড়াতে তিনি এর আগে ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল এবং ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালে দুইবার সাধারণ বাইসাইকেল নিয়ে ভ্রমণ করেছেন।

এই দুইবারে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, চিলি বুলগেরিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, খাজাকিস্তান, চায়নাসহ বেশ কিছু দেশ ভ্রমণ করেছেন। আগের দুটি রাইড সাধারণ বাইসাইকেলে হলেও ২০২২ সালের ৩ জুন থেকে সোলার চালিত বাঁশের তৈরি বাইকটি নিয়ে বের হয়েছেন। দেশে ফিরে গিয়ে আবারও নতুন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

দীর্ঘ এই পথে অনেক বন্ধু স্বজন পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি দেশে নতুন নতুন পরিবেশ এবং নতুন নতুন মানুষ, সংস্কৃতি আমাকে আনন্দ দেয়। এই আনন্দই ভ্রমণের সব থেকে বড় পাওয়া। যেখানেই গিয়েছি সাধারণ মানুষ আমাকে আপন করে নিয়েছে।

তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রতিটি মানুষ যেন মানুষের অস্তিত্বের জন্য, প্রতিটি প্রাণের জন্য পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসে।

গ্রেগরির সঙ্গে আলাপকালে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার সাইক্লিং কমিউনিটির মডারেটর ইমন আহমদ ও সৈয়দ রাফিউল ইসলাম। তারা জানান, আমরা আমাদের কমিউনিটির পক্ষ থেকে তাকে স্বাগত জানিয়েছি। দুই দিন ধরে তার সঙ্গে আছি। সবসময়ই যে কেউ আসলে আমরা স্বাগত জানাই। প্রয়োজনীয় সাহায্য করি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাইসাইকেল নিয়ে ৬৪ জেলা ভ্রমণে বের হওয়া খাগড়াছড়ির সাইক্লিষ্ট আতিকুর রহমানের সঙ্গে। তিনি জানান, কিছু সময় ধরে আমি গ্রেগরির সঙ্গে মিশেছি। তার সঙ্গে কথা বলেছি। তার এই ভ্রমণের কারণে সাধারণ মানুষ পরিবেশের প্রতি সচেতন হবে বলে আমার বিশ্বাস।

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

পরিবেশ দূষণপরিবেশ বিজ্ঞান

ক্ষতিকর হাইড্রোলিক হর্নে বধির হচ্ছে বহু মানুষ

ক্ষতিকর হাইড্রোলিক হর্নে বধির হচ্ছে বহু মানুষ

হাইড্রোলিক হর্নের কারণে বহু মানুষ বধির হয়ে যাচ্ছে। তারপরও বন্ধ করা যাচ্ছে না এই ক্ষতিকর হর্নের ব্যবহার। রাজধানীর সচিবালয়ের আশপাশের এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা করা হলেও হর্নের শব্দে সেখানে টেকা দায়।

নীরব এলাকা নীরব রাখতে হলে হাইড্রোলিক হর্নের ব্যবহার বন্ধের পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগ আর জনসচেতনতা নিয়ে আরও বেশি কাজ করা দরকার বলেন মনে করছেন সাধারণ মানুষ, ড্রাইভার, ট্রাফিক পুলিশ এবং বিশেষজ্ঞরা।

রমনা বিভাগের শাহবাগ জোনের দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি তো দায়িত্ব পালন করছিই। কিন্তু হর্ন তো কন্ট্রোল করতে পারছি না।

সচিবালয়, মসজিদ, স্কুল—এগুলোর সামনে লেখা থাকে হর্ন বাজানো নিষেধ। কিন্তু সেখানেই হর্ন বেশি বাজায়। কীভাবে এটা কন্ট্রোল করবো জানি না। আমার মনে হয় হর্ন বাজাতে যদি টাকা খরচ হতো তাহলে এটা কমতো।

রাইড শেয়ারের কাজ করেন সাব্বির আহমেদ। তিনি বলেন, পাবলিকের সচেতনতা ছাড়া বিকল্প কোনও পদ্ধতি নেই। আমি চালক আবার আমিই কিন্তু পাবলিক। তাই আমাকেই সচেতন হতে হবে।

একটা মানুষ যখন হেডফোন কানে দিয়ে রাস্তা পার হয়, আবার কোনও দিকে খেয়াল রাখে না—তখন কিন্তু আমাকে হর্ন বাজাতেই হবে। তাই আমি যখন চালক তখন আমাকে যেমন এদিকে খেয়াল রাখতে হবে, আবার আমি নিজেই যখন পথচারী তখনও আমাকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে। তাহলেই শব্দদূষণ কমানো সম্ভব।

সচিবালয়ের পাশের রাস্তা দিয়ে হর্ন বাজিয়ে গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন হামিদুর রহমান। গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট মোড়ের সিগন্যালে থামে তার গাড়ি। তখন তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, সচিবালয় নীরব ঘোষিত এলাকা।

বিভিন্ন জায়গায় তা লেখাও রয়েছে। তাহলে কেন এই রাস্তায় হর্ন বাজিয়ে যাচ্ছিলেন? হামিদুর বলেন, এটা নীরব এলাকা সেটা আমি জানি। কিন্তু সামনের গাড়ি যদি ঠিকমতো না চালায় তাহলে তো হর্ন বাজাতেই হবে।



ড্রাইভারদের গাড়ি চালানো শিখতে হবে ভালো করে। তাহলে আর এরকম আমাদের করতে হবে না। অযথা হর্ন বাজানো লাগবে না।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শুভ রয় বলেন, শব্দদূষণের কারণে আমাদের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। আমার তো শ্রবণশক্তিতেই সমস্যা হয়েছে। আগে আমি যেরকম স্পষ্ট শুনতে পেতাম এখন সেটা পারি না।

তিনি বলেন, যেকোনও সমস্যার টেকসই সমাধানের জন্য সেটার গভীর থেকে সমাধান করা প্রয়োজন। সড়কে যানবাহনের কারণে যে শব্দদূষণ হয় তার মূল কারণ হচ্ছে সড়কের অব্যবস্থাপনা।

কারণ যখন রাস্তা ফাঁকা থাকে তখন কিন্তু কেউ হর্ন বাজায় না। যখন রাস্তায় গাড়ির চাপ বেশি থাকে তখনই ড্রাইভাররা হর্ন বাজায়। সড়কে যদি শৃঙ্খলা ফেরানো যায় তাহলে অনেকাংশেই শব্দদূষণ কমানো যাবে।

অযথা হর্ন বাজানো অথবা শব্দদূষণ কমাতে কী করা প্রয়োজন জানতে চাইলে রমনা বিভাগের শাহবাগ জোনের পুলিশের সার্জেন্ট মো. জহিরুল হক বলেন, মামলা দিয়ে হর্ন বাজানো বন্ধ করা যাবে না। এখানে যিনি চালক, তার সচেতন হওয়া জরুরি। সচেতনতাই শব্দদূষণ রোধ করতে পারে।

সচেতনতা বাড়াতে কী করা প্রয়োজন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার একত্রিত হয়ে কাজ করা প্রয়োজন। লিফলেট বিতরণ করা, নাটিকা তৈরি করাসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালানো দরকার।

মানুষকে শব্দদূষণের বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক জানাতে হবে। মিডিয়া ব্যক্তিত্ব দিয়ে ছোট ছোট নাটিকা তৈরি করে সেগুলো টেলিভিশনসহ সব জায়গায় প্রচার করতে হবে।

আমরা দেখেছি, জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যখন বিভিন্ন নাটিকা বিটিভিতে প্রচার করা হতো সেগুলো অনেক কার্যকর হয়েছিল। তাই আমার মনে হয় সবার সমন্বিত কাজের মাধ্যমে শব্দদূষণ রোধ করা সম্ভব।

শব্দদূষণ নিয়ে কাজ করেন প্রফেসর মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, আমাদের টোটাল যে শব্দদূষণ তার ৬০-৭০ শতাংশ হয় গাড়ির হর্ন থেকে। আর হর্নের মধ্যে হাইড্রোলিক হর্নটা আমাদের এখানে নিষিদ্ধ করা আছে। এটার ব্যবহার, আমদানি, উৎপাদন ও বিপণন নিষিদ্ধ।

কিন্তু ঢাকা শহরে মোটামুটি ৩০ শতাংশ যানবাহনে এখনও হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু কোনটা হাইড্রোলিক হর্ন আর কোনটা প্রেসার হর্ন সেটা বোঝা বিশেষজ্ঞদের কাজ। কারও গাড়িতে হাইড্রোলিক হর্ন আছে কিনা সেটা কিন্তু সে বুঝে উঠতে পারবে না।

আবার প্রেসার হর্ন নির্ধারিত মাত্রার (৮৫ ডেসিমেল) চেয়ে বেশি শব্দ করছে কিনা সেটা কিন্তু চালক বা মালিক বুঝতে পারবে না। ফলে সম্পূর্ণ ব্যাপারটাই হচ্ছে মনিটরিং এবং এনফোর্সমেন্টের ব্যর্থতা। এটার কারণেই শব্দদূষণটা কমছে না।

তিনি বলেন, ট্রাফিক পুলিশ, পরিবেশ অধিদফতর, বিআরটিএ’কে যৌথভাবে নিয়মিতভাবে এনফোর্সমেন্ট টিম নিয়ে অভিযান চালাতে হবে এবং দায়ীদের জরিমানা করতে হবে। আবার যেসব গাড়িতে হাইড্রোলিক হর্ন পাওয়া যাবে তাদের মালিককেও মামলা বা আইনের আওতায় আনতে হবে।

কারণ তাদের ধরে শুধু হাইড্রোলিক হর্ন খুলে রেখে দিলে হবে না, তারা আবার ওই হর্ন লাগাবে। তাই তাদের যদি জরিমানার আওতায় না আনা হয় তাহলে এটা বন্ধ হবে না।

আমাদের মনে রাখতে হবে, এই হাইড্রোলিক হর্নের কারণে লাখ লাখ মানুষ বধির হয়ে যাচ্ছে। এটার কারণে লাখ লাখ শিশু বিকলাঙ্গ হয়ে জন্মগ্রহণ করছে। হার্টের রোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিনষ্ট হচ্ছে।

কারও বাসা যদি রাস্তার পাশে ১০ তলার উপরেও হয় তাহলেও সে রাতের বেলা ঘুমাতে পারবে না, এই হাইড্রোলিক হর্নের জন্য। আর রাতের বেলা যদি কেউ ঘুমাতেই না পারে তাহলে দেশের একজন কর্মক্ষম মানুষ হিসেবে সকালে কী সার্ভিস দেবে?

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

Comments